বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১২

প্রিয়, তোমায় ছাড়া ছিলাম আমি অপূর্ণ !!অরুণিমা


অন্ধকারের উদাসী রাত কাটলো এই আশায় 
      ভোরের সূর্য ভাসাবে আবার আলোয় আমায় 
বলছে বাতাস ভরবে প্রাণ কুহুর মিষ্টি সুরে 
       আজ এই প্রেমিক মন ডাকছে যেন কারে ?

মনবাগানে আজ ফুটেছে কত যে ফুল 
     লেগেছে হৃদয়ে আজ ভালবাসার দোল ,
  হারিয়েছে আজ কত যে টুটে যাওয়া স্মৃতি 
     তোমার ছুঁয়ে এলো আলো সুখ প্রীতি !!

প্রদীপ আজ জ্বেলেছি মন দুয়ারে দেখো 
    তোমারই যে আমি একথাটি মনে রেখো --
আর বলোনা কিছু বুঝেছি প্রিয় আমি 
    চোখের ভাষা যে বলে দিল অনেক কিছু 
এতদিনে স্বপ্ন আমার হলো যে পূর্ণ 
  প্রিয় ,তোমায় ছাড়া ছিলাম আমি অপূর্ণ !!

                                                              অরুণিমা চক্রবর্ত্তী

বুধবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১২

অকাল বোধন / জয়ন্তি ভট্টাচার্য্য



অকাল বোধন...........

সকালের মিঠে রোদে,দুপুরেরর আগুনে,
হাতছানি দিয়ে ডাকে গাছ থেকে ঝুলে থাকা
কাঁচামিঠে আমগুলো,মন ছিচকাঁদুনে,
দায় হয়ে ওঠে যেরে সংসারে মন রাখা !!
দোল খায় হাওয়াতে,মিটিমিটি চেয়ে থাকে,
বলে,আয় কাছে আয়,ভালবেসে চেখে দেখ,
দূরে সরে থাকিসনে,দিস নেরে যাকে তাকে,
ছাল তলে,নুন মেখে,দাঁত দিয়ে কেটে চাখ !!

জয়ন্তি  ভট্টাচার্য্য 

মঙ্গলবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১২

সুখের অভিঘাতে -জে এম আজাদ

সুখের অভিঘাতে 
-জে এম আজাদ


রাখতে যদি পারতাম তোমায়

মন মহুয়ায়, বুকের ধরণীতে,




দেখতে পেতে চাঁদের সাথে ঋষির বসবাসে



কেমনেতে জোস্না ঝড়ে, ক্লান্ত গোধুলীতে ।



রাখতে যদি পারতাম তোমায়



উত্তুঙ্গ জল বুকের বন্দরে,




দেখতে পেতে বুনো বাতাস, আছড়ে পড়ে মুখে





কাঁপায় কেমন করে ।





রাখতে যদি পারতাম তোমায়



বিমুগ্ধ মন, বিভোর আঁখি পাতে



দেখতে পেতে কেমনে এই মনমরুতে



সবুজ ফলে, সুখের অভিঘাতে ।



রাখতে যদি পারতাম তোমায়



বিমূর্ত বোধ, মনের জোসনাতে



দেখতে পেতে প্রেমের নহর বয়ে গিয়ে 



কেমনে ভাসায়, সুখের কালিন্দিতে ।

সোমবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১২

কবিতা কাকে বলে ?(Modern Definition)

চরণে চরণে মাত্রা ভাঙিয়া, ছন্দ ও অন্তমিল বজায় রাখিয়া যাহা লেখা হয় তাহাই কবিতা। এই ভাষারীতি যেমন অচল, তেমনি অচল এই ডেফিনেশন।

এর পরে ভাবনা বদলে গেল। কবিতার সঙ্গা বদলে এল গদ্য কবিতা। গদ্য কবিতার মূল সুরটা কি ? অন্তমিল ও ছন্দের জায়গা থেকে বেরিয়ে এসে ভাব ও মাত্রাগত জায়গাটিতে ঠিক থাকলেই কবিতা কবিতা হয়ে উঠত। সেদিন ও গেল, সেও মেলা দিন। এখন নাকি চলছে মুক্তগদ্য। 
কি তার আকার প্রকার, ছন্দ বদলে যায় ।
ব্যাকরণ !  কবিরাই ঠাওর করে উঠতে পারছেন কিনা সন্দেহ!!  বড় বড় প্যারাগ্রাফ যাতে মাত্রা পর্যন্ত রক্ষিত হচ্ছে না তাও কবিতা বলে বিবেচিত হচ্ছে। অতএব কবিতার গন্ডি কতটা বাড়ল সেটাই দেখার বিষয়।কবির চেয়ে  কবিয়ত্রীর সঙ্খা বাডছে । বাডছে কিছু আহাম্মকি পনা এবং দলবাজি। সুস্থ জীবন ধারার মহাশ্রোতে মানুষ নিজেকে হারিয়ে ফেলেছে । তাই কবিতা লেখা কিম্বা পডার সময়ের অভাব । বলা বাহুল্য সে জন্যই কবিতার গুনাত্মক বোধ কমে যাচ্ছে দিন দিন।

তাই বলব কবিতা ডেফিনেশন অনুযায়ী হওয়া তেমন বড় ব্যাপার না। কতটা ভেতরে গিয়ে লাগল। শব্দগুলো কতটা পোড়া্ল, কতটা কাঁদাল কিংবা হাঁসাল ওটাই কবিতার সঙ্গা নির্ধারণে এযুগের মাপকাঠি। মানুষভেদে যা আবার বদলে বদলে যায়।
—
আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে
আছো তুমি হৃদয় জুড়ে
ঢেকে রাখে যেমন কুসুম
পাপড়ির আবরণে ফসলের ঘুম
তেমনি তোমার নিবিড় চলা
মরমের মূল পথ ধরে
পুষে রাখে যেমন ঝিনুক
খোলসের আবরণে মুক্তোর সুখ
তেমনি তোমার গভীর ছোঁয়া
ভিতরের নীল বন্দরে
ভালো আছি, ভালো থেকো
আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখ
দিও তোমার মালা খানি
বাউল এর এই মন টা রে






নিঝুম নিশুতি রাতে কে তুমি এলে ?

নিঝুম নিশুতি রাতে কে তুমি এলে ?
আগে তো দেখিনি তোমারে, নিশিথে যে এলে !
উদাস নয়েনে দেখি তোমারি পানে 
সত্যি কি তুমি এলে , কেউ যদি জানে !
অবাক হয়েছি শুধু মুখে নেই ভাষা 
বিস্ময়ে চাই তোমারে চোখ দুটো খাসা
হেরিলে মন আমার এ নিশুতি রাতে
অপোলোক নয়নে দেখি, চাই যে তোমাকে পেতে।
একি স্বপ্ন না বাস্তব চাইনা জানতে
তবুও চাই জেন আমি তোমাকে পেতে। 





ত্রিভুবনজিৎ মুখার্জী। 

রবিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১২

বৃস্টি ভেজা সকালটাকে দেখতে লাগে ভাল

বৃস্টি ভেজা সকালটাকে দেখতে লাগে ভাল

বৃস্টি ভেজা সকালটাকে দেখতে লাগে ভাল
মেঘের ভেতর সূর্য্য যে ওই দিচ্ছে কত আলো

থমকে দাঁড়াই দৃশ্য পটে সেই দৃশ্য দেখে

রোদের কোলে ঘুমিয়ে পডি মহানিদ্রার ডাকে

বিদ্যুতের ওই ঝল্কানিতে বুকটা কেন কাঁপে

আসছে যে ওই বৃস্টি আবার শীতল হাওয়া সোঁপে

ঝর ঝরিয়ে বৃস্টি নামে আবার মেঘলা রাতে

সন্ সনিয়ে বইছে হাওয়া এই মাধবি রাতে

শীতল পরশ লাগে প্রানে আবেগ আসে মনে

বুঝিয়ে দিল বৃস্টি টা যে আসেনি অকারনে ঃ

ত্রিভুবনজিৎ