শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৪

নীল রতন চক্রবর্ত্তীর কবিতা



         

ওসব প্রাচীন ,ব্যাকওয়ার্ড ধারণা মাত্র,
যদি ভুলেও পা দাও ... তবে তুমি অশ্বডিম্ব
তাই, যদি মগজে গ্রে ম্যাটার থাকে ও পথ মাড়িও না ভুলেও
বরং গা ভাসাও কাঁচ কাঁচ সময়ের উন্মাদনায়
সব শেষ হলে এস ফিরে পাতা ছাওয়া কুটীরে
,মাটির প্রদীপে,জ্যোৎস্নার আলোয় বাঁশবনে
একবার প্রাচীন গন্ধ মাখা উজ্জ্বল স্ব-ভূমিতে
জেনে নিতে নিজস্ব অহংকার.....................
নীল রতন চক্রবর্তী ৩০১০২০১৪

শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

এক মিথ্যা চাপাতে আরেক মিথ্যা বলে ,




এক মিথ্যা চাপাতে আরেক মিথ্যা বলে ,

এক সত্য চাপাতে আরেক মিথ্যা বলে ,


মিথ্যার জঞ্জালে পূর্ণ , মানুষের প্রতীক ! 


,
কোন মানুষ এরা ? এরা মায়ের প্রতীক ?


 
না মা’ ,না মাটি , না মানুষ ! তবে এরা কি ?


সেটাই ত প্রশ্ন ! বল তোমরা এরা কি ?

যাদবপুর দিচ্ছে ডাক ___________________ অলভ্য ঘোষ




যাদবপুর দিচ্ছে ডাক
___________________
অলভ্য ঘোষ
যাদবপুর দিচ্ছে ডাক 
প্রতিবাদ ভাষা পাক ।
তোমার সুর আমার সুর ।
জেগে ওঠা যাদবপুর ।
যাদবপুর দিচ্ছে ডাক
হামলা করবি করতে থাক ।
ছাত্র রক্ত ঝরে ঝরুক;
আন্দোলন আজ আগে বাড়ুক ।
যাদবপুর দিচ্ছে ডাক
স্কুল কলেজ আজ স্থগিত থাক ।
বাংলা মায়ের দামাল ছেলে
আয়রে আয় ক্যারিয়ার ফেলে ।
যাদবপুর দিচ্ছে ডাক
নংরা রাজনীতি নিপাত যাক ।
মহা-মিছিলে পা মেলাও
ভ্রষ্টাচারীর জবাব চাও !
যাদবপুর দিচ্ছে ডাক
ছাত্র সমাজ দিশা-পাক ।
মা যে তোদের বন্ধ্যা নয় ;
ইতিহাসের এরা প্রমাণ লুকায় ।
যাদবপুর দিচ্ছে ডাক
বাজুক আন্দোলনের জয় ঢাক ।

বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

ভেন্টিলেসনে শুয়ে থাক বাংলা অলভ্য ঘোষ (যাদব পুরের ছাত্রদের উদ্দেশ্যে )

ভেন্টিলেসনে শুয়ে থাক বাংলা 
অলভ্য ঘোষ
(যাদব পুরের ছাত্রদের উদ্দেশ্যে )

জুজু পুলিস দেখাব কিন্তু ! ঠেঙ্গাবো ।
খিমচিয়ে দেবো স্তনের অপর ।
কি বলছ অতিত থেকে শিক্ষা নিতে ।
নকশালদের কি দশা হয়েছিল ?
কি বলছো নন্দী-গ্রাম ? তোমার নাম
আমার নাম সারদায় বদনাম ?
ধুরছাই এসব থেকে দৃষ্টি ফেরাও
সামনে কর্পোরেশন ; বিজেপি হাওয়া
এবিপি আনন্দে বসে ভাবছে সবুরে ফলবে মেওয়া ।
বামেরা ঢুবেছে এআবার কোন উটকো আপোদ
বাংলায় উড়ে এসে জুড়ে বসেছে ।
ক্লাব গুলো কে টাকা দিলাম ফিসটি করার জন্য ;
মিঠুন দিলাম ,দেব দিলাম, ব্রান্ড অ্যম্বাসেটার শারুখ খান ;
আর কি চাও । ও বাবা সংস্কৃতিবান ?
কবি গুরু লহ প্রণাম । শুভাদার দাঁড়ি ধরে
রবীন্দ্রনাথের পাশে আমি ।
বাস্টপের ছাউনিতে তোমার অপেক্ষায় । উুহুহু
ধর্মতলার মোরে কোন অধর্ম করোনা যেন ।
মোরে মোরে গান শোনাব সংস্কৃতির গান ।
তোমরা কি বলতো !
সামনে পূজ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল চলো নাচি ; নাচতে নাচতেই তো
আমরা বেঁচে আছি । প্রেম ট্রেম করো ! ভিক্টোরিয়া ,লেক ,মোহরকুজ্ঞ, নিক-পার্ক ,
বাবু-ঘাট ঢেলে সাজাচ্ছি । ভুলে থাক ভুলে থাক
ফুচকা আর চুর মুর ভাজাতে । কলকাতা লন্ডন নাইবা হোক
আমস্টারডাম তো হচ্ছে । যতদিন বাঁচ ভেন্টিলেসনে বেঁচে-থাক ।
বেশি বাড়া বাড়ি করোনা । আরিফুল আর তাপস
পাল দের লেলিয়ে দেব ।
ভাল চাওতো ভেন্টিলেসনে শুয়ে থাক বাংলা ।

বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

আমার লন্ডনে রাহুল রায়চৌধুরী মামুদপুর, ১৭/৯/২০১৪


আমার লন্ডনে
রাহুল রায়চৌধুরী
শোনো আজ বলি শোনো বসে সবে
কিছুবা গোপনে কিছু অবকাশে
লড়াকু ইমেজ এ দেশে বিদেশে
রাজনীতি করি প্রবল আবেগে
মাথা দিয়ে নয় চাটুকার বশে
ছেড়ে নয় কথা হোক না সে কেউ
হতে পার কেউ ধর্ষিতা তুমি
প্রোফেসর হও, অথবা স্টুডেন্ট
সাবধান ! নেব চামড়া উঠিয়ে
আছে আমাদের লাঠিয়াল দলে
আইনও আমার পুলিশও আমারই
আমিই শাসক, বিচারক আমি
শাস্তি যা দেবো মেনে নিয়ো সবে
সভ্য দেশের নাগরিক যত
শোনো ঘ্যান ঘ্যান চ্যানেলে চ্যানেলে
খবরের পিছে কেন ঘোরো মিছে
বলবো যা আমি ধ্রুব সত্য সে
আমিই বিধাতা গদি যে আমারই
পরিবর্তন চেয়েছ তোমরা
ঘোলা জলে মাছ ধরেছি কেবলই
নেপো ভাবছ কি, ভেবো না, ভেবো না
ফুলে ফেঁপে জেনো সারদা আমারই
আগে পিছে ঘোরো দান দেবো গুনে
দ্যাখোনি কবিতা, কবিও আমারই
এঁকেছি ছবি যে লক্ষে, হাজারে
কিনে নিয়েছে যে, আজ বসে জেলে
মিশিয়েছি দুধ গঙ্গার জলে
খাতায় খাতায় বেনো জল মিশে
এখনও শুনছো বলছি যা বসে
লন্ডন বলে এনেছি যেখানে
এসেছ আয়েশে আজ কেন জ্বলে
আরাম্‌সে থাকো চোখ কান বুজে
নিজ হাতে গড়া (এ) নরক আমারই ...
মামুদপুর, ১৭/৯/২০১৪

রবিবার, ২২ জুন, ২০১৪

খবরঃ কর ও অনুদান নির্ভর আরেকটি বাজেট। নরক প্রাচীর প্রাচ্য দিবা দেবব্রত বডুয়া ।



খবরঃ কর ও অনুদান নির্ভর আরেকটি বাজেট।
নরক প্রাচীর
প্রাচ্য দিবা
দেবব্রত বডুয়া ।
====
উঠছে বেড়ে উত্তর থেকে মেঘ-জমাট
যেনো কালবোশেখির,
সঘন অশান্ত দখল স্বপ্ন;
আর বিজ্ঞাপনে- স্বপ্ন কুটির!
যাচ্ছে বেড়ে দক্ষিণ পাশটা,
নদী পেরিয়ে কোলাহল যতো;
নগর পিতার চওড়া হাসি,
বেদখলে যায় তটিনী দেহটা!
যাচ্ছে বেড়ে নতুন আড়াল,
পূবে হাসতো সোনার সকাল;
কে যেনো আজ দাঁড়িয়ে সটান,
কাড়ে সূর্যটা; স্বস্তি বিরান!
পশ্চিমতো আগেই বেড়ে,
ডোবায় তাকে অপরাহ্নেই!
অথচ সেখানে সভ্যতা বড়াই-
অসভ্যতা যায় যে ঝেড়ে!
যাচ্ছে বেড়ে উপরের সীমা,
যতোই আগায় নেই কোন ঠাঁই
গগনচুম্বী বেঢপ তাকায়,
আকাশ উদার নেই পরিসীমা!
আরতো শুধুই বাকী অধঃপাত,
তাতেই চলেছি বাড়িয়ে দু’হাত;
সবাই যখন ব্যস্ত লুটপাট,
পাতাল-নরক গ্রাসে দিনরাত!!

মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০১৪

ভ্রু @ এজহারুল এইচ শেখ ১৩.০৫.২০১৪ মাল্টিডাইমেন্সনাল কবিতা



ভ্রু @ এজহারুল এইচ শেখ
গিলাটিনের গন্ধে রাত যখন
শেষ হয়েছে,গাছের পাতা হয়ে যায় পাখি,
অনির্বাচিন কত শত গান গায়
একটার পর একটা স্টেশন হারায়
দেওয়াল ঘড়ি ,আকাশে সাঁতার কাঁটার পর, কালাহারির বালুরাশি দিক পাল্টায়
সেই তপ্ত আগুন নিভু নিভু।একটু ছায়ার দরকার,
কেউ দেবে?
গাছও যে পর্নমোচী
সেটা কখনও বাড়ির ছাদের টবে বসিয়ে
দেখিনি, পিপাসায় জল খুঁজে দেখি
পথের দু ধারে
জলের ট্যাঙ্ক উপরে ক্যাকটাসের জন্ম!
@ বাড়ি,
তারিখ-১৩/০৫/১৪
সময়-১১ঃ৪৪ সকাল